শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবসের তাৎপর্য

মিল্টন বিশ্বাস-   

১১ জুন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবসের যুগপূর্তি। ‘মুজিববর্ষে’ তার এই দিবসটির স্বতন্ত্র তাৎপর্য অন্বেষণ করা জরুরি হয়ে উঠেছে। কারণ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসকবলিত মহামারিতে মানুষ যখন দিশেহারা তখন তাদের উদ্ধারের জন্য মানবতার নেত্রী শেখ হাসিনাকে বড় বেশি দরকার। এ ব্যাধিময় জগতে সততা ও সাহসের সঙ্গে তিনিই দাঁড়াতে পেরেছেন অসহায়ের পাশে। যদি সেই ২০০৮ সালের ১১ জুন তাকে মুক্তি দেয়া না হতো তাহলে আজকের এই বাংলাদেশ যোগ্য রাষ্ট্রনায়ক পাওয়া থেকে বঞ্চিত হতো। সেদিন তিনি মুক্তি না পেলে জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হয়ে ২০০৯ থেকে এই ২০২০ পর্যন্ত বিশ্ব আসরে এ দেশকে সমৃদ্ধির সোপানে তুলে আনা ছিল অসম্ভব। তাছাড়া ডেল্টা পস্ন্যান থেকে শুরু করে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশের তকমা অর্জন করার জন্য স্বপ্ন দেখার সামর্থ্যও আমরা হারিয়ে ফেলতাম। দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ভোটের অধিকার সুনিশ্চিত করতে সুদীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে বন্ধুর ও বিপদসঙ্কুল পথ অতিক্রম করতে হয়েছে শেখ হাসিনাকে। এর মধ্যে অনেকবারই তার প্রাণনাশের চেষ্টাও হয়েছে। এসব সত্ত্বেও বাংলার মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তিনি যখন বিরোধী দলীয় নেত্রী তখনো ছিলেন দৃঢ় ও অবিচল। এ জন্যই ১১ জুন আমাদের দেশের ইতিহাসে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।
২.
২০০৭ সালের ১৬ জুলাই ভোরে সেনাসমর্থিত মেয়াদোত্তীর্ণ তত্ত্বাবধায়ক সরকার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করে। দীর্ঘ প্রায় ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ১১ জুন কারাগার থেকে মুক্ত হন তিনি। কারাগারে বন্দি করা হলেও শেখ হাসিনার ২০০৭ সালের ৭ মে আমেরিকা থেকে প্রত্যাবর্তন ছিল আমাদের জন্য মঙ্গলকর। ২০০৭ সালে ১১ জানুয়ারির পর তার দেশে ফেরার ওপর বিধিনিষেধ জারি করে সামরিক তত্ত্বাবধায়ক সরকার। তাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার সেই চক্রান্ত ব্যর্থ হয়। তিনি দেশে প্রত্যাবর্তন করেন। কিন্তু ১৬ জুলাই যৌথবাহিনী তাকে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে ৩৩১ দিন কারাগারে বন্দি করে রাখে। সে সময় গণমানুষ তার অনুপস্থিতি গভীরভাবে উপলব্ধি করেছে। তার সাব-জেলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের উদ্বেগ, গ্রেপ্তারের সংবাদ শুনে দেশের বিভিন্ন স্থানে চারজনের মৃতু্যবরণ, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের উৎকণ্ঠা আপামর জনগোষ্ঠীকে স্পর্শ করেছিল। কারণ সে সময় আদালতের চৌকাঠে শেখ হাসিনা ছিলেন সাহসী ও দৃঢ়চেতা; দেশ ও মানুষের জন্য উৎকণ্ঠিত; বঙ্গবন্ধুর কন্যা হিসেবে সত্যকথা উচ্চারণে বড় বেশি সপ্রতিভ। অন্যদিকে সে সময় দলের সভাপতিকে গ্রেপ্তারের পর থেকেই আওয়ামী লীগের জিলস্নুর রহমানসহ অন্যান্য নেতারা বিভিন্নভাবে সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করেন। শেখ হাসিনাকে মুক্তি দেওয়া না হলে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে যাবে না বলেও ঘোষণা দেওয়া হয়। ওই সময় কারাগারের অভ্যন্তরে নেত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখন বিদেশে চিকিৎসার জন্য তাকে মুক্তি দেওয়ারও দাবি ওঠে বিভিন্ন মহল থেকে। আওয়ামী লীগের ক্রমাগত চাপ, আপসহীন মনোভাব ও অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। ফলে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল সংখ্যাগষ্ঠিতা নিয়ে বিজয় লাভ করে। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার গঠন করা হয়। অবসান ঘটে দুঃশাসনের। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার সন্ত্রাস, দুর্নীতি, ধর্ষণ ও লুটপাটের মাধ্যমে এ দেশকে নরকে পরিণত করেছিল। নেত্রীকে গ্রেনেড, বুলেট, বোমায় শেষ করতে চেয়েছিল। কিন্তু তিনি ছিলেন নির্ভীক; এখনো তেমনটাই আছেন। এ জন্য করোনা সংকট মোকাবিলায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেছে মার্কিন ম্যাগাজিন ‘ফোর্বস’। অন্যদিকে ব্রিটেনের ‘দ্য ইকোনমিস্ট’ মহামারির মধ্যেও এ দেশের অর্থনীতির নিরাপত্তা বিষয়ে ইতিবাচক প্রতিবেদন ছাপিয়েছে।
৩.
১৯৭৫ সালে ভয়ঙ্কর ও নিষ্ঠুর ট্র্যাজেডির ধকল সামলানোর পাশাপাশি প্রতিক্রিয়াশীল শক্তির নানা রাজনৈতিক কূটচাল, ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হয়েছে তাকে। ১৯৭৫ সালে নিজের পরিবারের সবাইকে হারিয়ে যে ভয়াবহ অবর্ণনীয় ব্যক্তিগত বেদনা বহন করতে হচ্ছে তা অকল্পনীয়। সে সময় তিনি ও শেখ রেহানা জার্মানিতে থাকায় প্রাণে বেঁচে গেলেও ১৯৮১ সালের পর থেকে তার প্রাণনাশের চেষ্টাগুলো ছিল আরো ভয়াবহ। ১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর শেখ হাসিনাকে ১৯ বারের বেশি প্রাণনাশের চেষ্টা করা হয়েছে। ২০০৫ সালে মুফতি হান্নান এবং ২০০৬ সালে তার ‘গুরু’ জঙ্গিনেতা মাওলানা আবু সাইদ ওরফে আবু জাফরকে গ্রেপ্তারের পর জবানবন্দি থেকে শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার কথা স্বীকার করায় আমরা পরিকল্পনাগুলো জানতে পারি। উপরন্তু আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইটেও এ বিষয়ে বিস্তারিত বিবরণ দেয়া আছে। শেখ হাসিনাকে ১৯ বারহত্যাচেষ্টার অনেকগুলো মামলার বিচার আজও শেষ হয়নি। তবে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা, চট্টগ্রামে লালদীঘি ময়দানের গণহত্যার মামলা, গ্রিন রোডে হামলার মামলা এবং সুরাহা হয়েছে ঈশ্বরদীর ঘটনা, সাজা পেয়েছে গোপালগঞ্জে বোমা হামলার পরিকল্পনাকারীরা। ১৯ বার হত্যার চেষ্টা চালানো ছাড়াও দেশি-বিদেশি পর্যায়ে তাকে হত্যার ষড়যন্ত্র হয়েছে আরও অন্তত পাঁচ দফা। শেখ হাসিনার ওপর এসব হামলার ঘটনায় অন্তত ৬৬ জন দলীয় নেতাকর্মী নিহত হওয়ার হিসাব আছে। আহত হয়েছেন কয়েক হাজার। এসব ঘটনায় যাদের প্রাণহানি ঘটেছে সেই পরিবারগুলো এখনো বিচার পায়নি। এইচ এম এরশাদ রাষ্ট্রপতি থাকাকালে দুটি, ১৯৯১ থেকে ৯৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি সরকারের আমলে চারটি, ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে চারটি, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত সরকার আমলে চারটি, সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে একটি ও আওয়ামী লীগের গত আমলে চারটি হত্যাচেষ্টার কথা জানা যায়। সরাসরি শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করেই হামলা চালানোর ১৪টি ঘটনায় মামলা হলেও এ পর্যন্ত সবগুলো মামলার বিচারকার্য সম্পন্ন হয়নি। বেশকিছু মামলা এখনো বিচারাধীন রয়েছে।

শুধু ঢাকাতেই শেখ হাসিনার ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয় ৭ বার। এর মধ্যে ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর সচিবালয়ের সামনে তার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। তখন মারা যান যুবলীগ কর্মী। ৮৯ সালের ১১ আগস্ট ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু ভবনে হামলা করে ফ্রিডম পার্টি। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলাটির বিচারকার্য সম্পন্ন হয়েছে। তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে ৯১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর উপনির্বাচন চলাকালে রাজধানীর গ্রিন রোডে ও ৯৫ সালের ৭ ডিসেম্বর ধানমন্ডির রাসেল স্কোয়ারে জনসমাবেশে গুলিবর্ষণ করা হয়। এরপর ৯৬ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে বক্তৃতা দেওয়ার সময় মাইক্রোবাস থেকে সভামঞ্চ লক্ষ্য করে গুলি ও বোমা নিক্ষেপ করা হয়। ২০১৫ সালের ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভায় যাওয়ার পথে কারওয়ান বাজারে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় জেএমবি। আর সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা চালানো হয় ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে। সেখানে অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেও মারা যান আওয়ামী লীগের ২৪ জন নেতাকর্মী। আলোচিত এ মামলাটির বিচারকার্য সম্পন্ন শেষে রায় হয়েছে ১৪ বছর পর। এ ছাড়া ঢাকার বাইরে চট্টগ্রামে ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি, ঈশ্বরদীতে ৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ও গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় হামলা হয় ২০০০ সালের ২০ জুলাই। কোটালীপাড়ার মামলাটির ইতোমধ্যেই বিচারকার্য সম্পন্ন হয়ে রায়ও কার্যকর হয়েছে। খুলনায় ২০০১ সালের ২৯ মে, একই বছর ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটে, ২০০২ সালের ৪ মার্চ নওগাঁয়, ৩০ আগস্ট সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ও ২০০৪ সালের ২ এপ্রিল বরিশালে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে সশস্ত্র হামলা করে হুজি, জেএমবি, জামায়াত ও বিএনপি। সবশেষ ২০১৬ সালের ২৭ নভেম্বর হাঙ্গেরি যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানের ইঞ্জিনে ত্রম্নটি দেখা দেয়। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
রায় ঘোষিত হওয়া হামলা ও হত্যা মামলাগুলোর বিচারকদের পর্যবেক্ষণ থেকে আমরা জেনেছি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ঘটনা আর তার কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যারচেষ্টা ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়’। ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টের ঘটনায় যারা জড়িত ছিল পাকিস্তান ভাবধারার রাজনৈতিক গোষ্ঠীর ওই একই আসামিদের, একই ষড়যন্ত্রকারীর পৃষ্ঠপোষকতায় শেখ হাসিনাকেও হত্যারচেষ্টা করা হয়েছিল।
দেশ ও জাতির কল্যাণে নিবেদিত হয়েও তিনি সেনা সমর্থিত শাসকদের মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলার কারণে পিতা বঙ্গবন্ধুর মতো কারাগারে নীত হন। জেলে থাকার কারণে তিনি তার সন্তান পুতুল ও জয়ের পাশে সব সময় থাকতে পারেননি। এই বেদনা তিনি তুলে ধরেছেন নিজের লেখায়। রাজনীতির শেকলে একজন মা কতটা অসহায়, তার বর্ণনা দিয়েছেন শেখ হাসিনা ২০০৭ সালের রাজনীতির প্রেক্ষাপটে। তার একমাত্র কন্যা পুতুল মা হবে; থাকেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। মা হিসেবে মেয়ের কাছে থাকাটা খুব জরুরি। যাওয়ার জন্য টিকিটও বুক করেছেন। কিন্তু যেতে পারেননি। সেই সময়ের প্রশাসন আটকে দিয়েছে যাত্রা। এ প্রসঙ্গে তিনি লিখেছেন- ‘আমিতো মা- আমার মেয়ের জন্য মনটা ভীষণ খারাপ। এখনো মাঝে মাঝে একটা ব্যথা হয়। বাব বার ফোনে জিজ্ঞেস করে, ‘মা কখন আসবা?’ আমি কি জবাব দেব? সরাসরি বলতে পারছি না আমি এক রকম বন্দি জীবনযাপন করছি, কাউকে আসতেও দেয় না। আমাকে যেতে দেবে না। আরতো মাত্র ক’দিন। যে কেনো সময়েই ওকে হাসপাতালে যেতে হবে। ব্যথায় যখন কষ্ট পাবে মা হয়ে পাশে থাকতে পারব না। ‘মা’ ‘মা’ বলে যখন ডাকবে, মাকে তো পাবে না। যে কষ্ট ১৯৭১ সালে আমি পেয়েছিলাম আমার মেয়ে কেন সেই কষ্ট পাবে? আমরা না স্বাধীন দেশে বাস করছি? ‘মা পুতুল তোমার মা তোমার কাছে যেতে পারল না মা, মার এই অক্ষমতা ক্ষমা করিস মা।’ আমি জানতে চাই, আমার কি অপরাধ যে মা হয়ে আমার মেয়ের পাশে থাকতে পারব না, আমরা কি তবে সেই ১৯৭১ সালেই আছি?’
‘সবুজ মাঠ পেরিয়ে’ গ্রন্থে এভাবেই তিনি নিজেকে মেলে ধরেছেন কারান্তরালে যাপিত জীবনযাপন করার মুহূর্তে। তিনি ওই গ্রন্থে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের চুলচেরা ব্যবচ্ছেদ করেছেন। সামরিক সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের চাপে থাকা বিচারকদের আচরণ এবং তাদের সিদ্ধান্তহীনতার কথাও উলেস্নখ করেছেন। কারাগারে বন্দি থাকাকালীন সময় শেখ হাসিনা সেখানে সরবরাহকৃত খাদ্যে স্স্নো-পয়জনিংয়ের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
৪.
কারামুক্তি দিবসে বলতে হয় শেখ হাসিনা সাহসী, প্রাজ্ঞ, কর্মঠ একজন রাষ্ট্রনায়ক। তার সৎ নেতৃত্বের কারণেই মুজিববর্ষে আমরা সুশাসন নিশ্চিত করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তুলতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
অতীতের জেল-জুলুম, হত্যার প্রচেষ্টা এবং হুমকি আর বর্তমানের অপপ্রচারের মধ্যেও তার নেতৃত্বে দেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে করোনাকবলিত হয়েও ২০২১ সালের পরই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে- এটা নিশ্চিত। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমগ্র দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে করোনা মহামারি সৃষ্ট সব বিপর্যয় থেকে উঠে দাঁড়াতে হবে- তার কারামুক্তি দিবসে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

http://www.jaijaidinbd.com/todays-paper/editorial/102012/?fbclid=IwAR0W54xNoW6Mp2c0JD7hAn17AX4chjO0zxe07p-Caz6ACnP-qTaukOH67xw

Write a comment